প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও গুঞ্জন বাড়ছে। সরকার গঠনের কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং কয়েকজনের দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
বর্তমানে মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। একাধিক মন্ত্রণালয়ে একই সঙ্গে দায়িত্ব থাকায় প্রশাসনিক চাপ ও কাজের সমন্বয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, কাজের চাপ কমানো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে। নতুন করে তিন থেকে পাঁচজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিসভার পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। তিনি প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনতে পারেন।
এদিকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নতুন মুখদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, আন্দালিব রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম, এরশাদ উল্লাহ, বি. এম. মোশাররফ হোসেন, এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান। পাশাপাশি টেকনোক্রেট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রিসভার প্রথম দিকেই এমন পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ সাধারণত প্রশাসনিক সমন্বয় ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার অংশ হিসেবে দেখা হয়।
উল্লেখ্য, অতীতেও বিভিন্ন সরকার শুরুর পরপরই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের নজির রয়েছে। যেমন অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া প্রথমে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ৬০ সদস্যে উন্নীত হয়।